Web Analytics

প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের ব্যবহার বাড়াতে সরকার রিচার্জ করা এনার্জির ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ রিবেট দিচ্ছে। এ ব্যবস্থায় গ্রাহক অবশিষ্ট ব্যালেন্স ও বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব দেখতে পারেন, প্রয়োজনমতো রিচার্জ করতে পারেন এবং আগেভাগে ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পান। বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, এতে পোস্টপেইড মিটারের মতো মাস শেষে হঠাৎ বড় অঙ্কের বিল আসার আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে কমে।

বিদ্যুৎ বিভাগ অগ্রিম রাজস্ব আদায়, সিস্টেম লস কমানো, ওভারলোড নিয়ন্ত্রণ, লোড ম্যানেজমেন্ট এবং বিলিংয়ের নির্ভুলতাকে প্রিপেইড মিটারের সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করেছে। মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ভেন্ডিং স্টেশন, পিওএস এজেন্ট ও ব্যাংক বুথ থেকে রিচার্জ করা যায়। ব্যালেন্স কমলে সতর্কসংকেত পাওয়া যায় এবং জরুরি ক্রেডিট ও নির্ধারিত ফ্রেন্ডলি আওয়ারের সুবিধাও রয়েছে।

আবাসিক গ্রাহকের অনুমোদিত লোডের প্রতি কিলোওয়াটে মাসে ৪২ টাকা ডিমান্ড চার্জ ও ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। সিঙ্গেল ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেজ মিটারের ২৫০ টাকা। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনা হবে। তথ্য বা অভিযোগের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কেন্দ্রীয় হটলাইন ১৬৯৯৯ চালু রয়েছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।