২০২৬ সালের ২২ জুলাই প্রকাশিত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের এক প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কেন ভারতে নিয়মিত আন্দোলন হলেও তা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় না। লেখকের মতে, ভারতের কার্যকর নির্বাচনি ব্যবস্থা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলো জনঅসন্তোষকে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশের সুযোগ দেয়, ফলে তা বিপ্লবে পরিণত হয় না। তিনি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার উদাহরণ টেনে দেখিয়েছেন, যেখানে ভোটের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অভ্যুত্থান ঘটেছে।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারতীয় রাষ্ট্র আন্দোলন দমন না করে আলোচনার মাধ্যমে কো-অপটেশনের কৌশল নেয়, যা প্রতিবাদকে নিঃশেষ করে। দেশের ভাষাগত ও সামাজিক বৈচিত্র্য জাতীয় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে দুর্বল করে, আর পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি শ্রেণিভিত্তিক সংহতিকে প্রতিস্থাপন করেছে। লেখক বিজেপি ও আরএসএসের উত্থান, মুসলিম ও দলিতদের প্রান্তিকতা এবং বলিউডের সাংস্কৃতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা করেছেন।
শেষাংশে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের তরুণ প্রজন্ম এখনো সচেতন ও সমালোচনামুখর। তবে নির্বাচনি বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হলে এবং রাষ্ট্রীয় কো-অপটেশন ব্যর্থ হলে, ভারতের বিশালতাই তার অস্থিরতার উৎস হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।