Web Analytics

আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম বন্ধ থাকা সত্ত্বেও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত এই দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি স্বতন্ত্র প্রার্থী বা ছোট দলের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। গোয়েন্দা সংস্থা ও মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও স্থানীয় নেতারা গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (জেপি) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মতো দলের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন কমিশন নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অযোগ্য ঘোষণা করার কথা বললেও, তা কতটা কার্যকর হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, বগুড়া, খুলনা ও চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সক্রিয়তা দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব আসনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং সেনাবাহিনী ও বিজিবির টহল বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে সহিংসতা বা ভোটকেন্দ্র দখলের ঘটনা না ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ছদ্মবেশী অংশগ্রহণ নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।