কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিইএ) নারিকেল আমদানির অনুমতি স্থগিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এটি আমদানির মৌসুম নয়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা একাধিকবার ডিইএর মহাপরিচালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও অনুমতি পাননি। ফলে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত সীমান্তে ট্রাকভর্তি নারিকেল আটকে থাকায় তাদের ব্যয় প্রতিদিন বাড়ছে।
ডিইএর কর্মকর্তারা বলেন, সাধারণত রোজার ঈদ, শীত মৌসুম, নবান্ন ও পূজা-পার্বণে নারিকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। কোরবানির ঈদে নারিকেলের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় এবার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়ে দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় পৌঁছাতে পারে। তারা আরও বলেন, অনুমতি না পেলে ব্যবসায়িক ক্ষতির পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাবে।
ডিইএর তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৪ লাখ ৭৮ হাজার টন নারিকেল উৎপাদিত হয়, প্রধানত ভোলা, বাগেরহাট, নোয়াখালী, বরিশাল ও যশোরে। তবুও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রতিবছর ভারত থেকে ৬০০–৭০০ টন নারিকেল আমদানি করা হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।