যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ইরানের আটকে থাকা সম্পদ মুক্তির বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে কাতারের একটি মধ্যস্থতাকারী দল জরুরি ভিত্তিতে তেহরানে পৌঁছেছে, যার লক্ষ্য একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করা। এই চুক্তি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ৩০ দিনের আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো টোল আরোপের অধিকার ইরানকে দেওয়া হবে না।
দীর্ঘদিন ধরে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত কাতার এতদিন সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকটে অংশ নেয়নি। এর আগে ওমান ও সম্প্রতি পাকিস্তান এই ভূমিকা পালন করেছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানেরও তেহরান সফরের কথা রয়েছে, যদিও ইরান বড় কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনাকে এখনই গুরুত্ব দিচ্ছে না। অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে, যদিও এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইরান ইতোমধ্যে পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি গঠন করেছে, যা জাহাজ চলাচল ও টোল নিয়ন্ত্রণ করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় পাঁচ দেশ এই উদ্যোগের বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।