যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ চালানোর হুমকি দিয়েছেন। তেহরানকে সহায়তাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা, বিমানবন্দর ও সরকারি সংস্থাকে ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। ২১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই হুমকিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংকট থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ওয়াশিংটন অন্য দেশগুলোর ওপর পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা বা সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করতে পারে না। আন্তর্জাতিক ও বাণিজ্য আইন বিশেষজ্ঞ শান্তনু সিং বলেন, এমন অনুমোদন ছাড়া কোনো দেশ ইরান বা অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা রাখে না। পল মাসগ্রেভও বলেন, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক পরিণতি কার্যকর করা ট্রাম্পের জন্য কঠিন হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আগের নিষেধাজ্ঞাও ইরানের বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করতে পারেনি। গত বছর ইরানের সমুদ্রপথে রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন; তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরাকও বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, যা ইরানের বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রবেশাধিকারের কারণে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।