রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় সাবেক রংপুর জিলা স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্য হত্যার পেছনে মাদক সেবন ও চাঁদাবাজির বিষয়কে মূল কারণ হিসেবে দেখছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র। শনিবার রাতে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম (১২) নিহত হন। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কোনো উদ্দেশ্যের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নিয়মিত শিক্ষকের ছাদে বসে মাদক সেবন করত এবং এতে বাধা দেওয়ায় তাদের সঙ্গে পরিবারের বিরোধ তৈরি হয়। বাড়ি নির্মাণের সময় পরিবারের কাছে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর কেউ কেউ অলিগলিতে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবনের কথাও বলেছেন।
আদালতের নির্দেশে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই আসামি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছে এবং তাদের তথ্য অনুযায়ী বাসা থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। আশপাশের বাড়ি থেকে সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে যাচাই করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও শোক র্যালি করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।