ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার প্রশাসক নিয়োগ না দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিল-২০২৬ অনুযায়ী এসব নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না, ফলে প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
জুন-জুলাইয়ের প্রচণ্ড গরম, আগস্ট-সেপ্টেম্বরের বর্ষা এবং বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষার কারণে শীতকালকে নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিএনপি ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করেছে। প্রার্থী বাছাই, প্রচারণা কৌশল নির্ধারণ এবং অভ্যন্তরীণ ঐক্য রক্ষায় দলীয় নেতারা কাজ করছেন। জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে চায় দলটি।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত পেলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে। প্রথম ধাপে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এরপর সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।