সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্পর্ক ক্রমেই খারাপ হচ্ছে বিভিন্ন সংঘাত ও জোট পরিবর্তনের কারণে। ইয়েমেন ইস্যুতে সৌদি আরবের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েছে, যেখানে রিয়াদ আমিরাতকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা ও অস্ত্র পাচারের অভিযোগ করেছে। সোমালিয়া নিরাপত্তা ও বন্দর চুক্তি বাতিল করে আবুধাবির বিরুদ্ধে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। সুদানও দারফুরে র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে সহায়তার অভিযোগে আমিরাতের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল, যদিও আন্তর্জাতিক বিচার আদালত এখতিয়ার না থাকায় তা খারিজ করে দেয়।
আলজেরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কও খারাপ হয়েছে, কারণ তারা আমিরাতকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে সমর্থনের অভিযোগ করেছে। লিবিয়া ও সাহেল অঞ্চলে আমিরাতের ভূমিকা নিয়েও বিরোধ তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান ও ইসরাইলের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করেছে আমিরাত, এমনকি গাজা যুদ্ধের সময়ও বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। আব্রাহাম চুক্তি ও সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন আমিরাতের কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
প্রতিবেদনটি দেখায়, শেখ জায়েদের সময়ের শান্তিপূর্ণ কূটনীতি থেকে আমিরাত এখন নিরাপত্তা ও ইসলামপন্থাবিরোধী নীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা আরব বসন্তের পর থেকে তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।