দেশব্যাপী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার ও বেসরকারি খাত। সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ বিকল্প উৎস থেকে নিশ্চিত করা। কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌর, বায়ু, গৃহস্থালি বর্জ্য ও পশুর মলমূত্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে।
শ্রেডার তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্রিডভুক্ত ও গ্রিডের বাইরের মিলিয়ে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা ১,৮২৫.৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে সৌরশক্তির সক্ষমতা ১,৫২৯.১০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১,১০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে, যা প্রকৃত সরবরাহের প্রায় ৩ থেকে ৪ শতাংশ। ২০৩০ সালের লক্ষ্য অর্জনে অন্তত ১০,৪৫০ মেগাওয়াট পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে বলে সরকার জানিয়েছে।
পরিকল্পনায় রুফটপ সোলার থেকে ৫,৫০০ মেগাওয়াট এবং সোলার পার্ক থেকে ৪,৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের কথা রয়েছে। পাশাপাশি ভাসমান সোলার, ব্যাটারি স্টোরেজ ও গ্রিড আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাতিল হওয়া ৩১টি নবায়নযোগ্য প্রকল্পও পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে; এগুলোর পরিকল্পিত সক্ষমতা ছিল ৩,৩০০ মেগাওয়াট।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।