Web Analytics

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর সংসদীয় আসন থাকবে কি না, তা নিয়ে সাংবিধানিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২৪ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত এক আইনি বিশ্লেষণে ব্যারিস্টার আহমেদ এ. খান বলেন, বর্তমান আইনের সরল প্রয়োগে বহিষ্কার নিজে থেকেই কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য করে না।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে আসন শূন্য হওয়ার কথা আছে, কিন্তু বহিষ্কারের কথা নেই। নৈতিক স্খলনসংক্রান্ত ৬৬ অনুচ্ছেদ প্রয়োগের জন্য আদালতের দণ্ডাদেশ ও অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড প্রয়োজন; জামায়াতের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলামূলক সিদ্ধান্ত সেই শর্ত পূরণ করে না। অতীতে বহিষ্কৃত আবু হেনা আসন ধরে রেখেছিলেন, আর আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আগেই পদত্যাগ হয়েছিল।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২(১)(খ) ও ১২(৮) ধারা মিলিয়ে নির্বাচন কমিশন ভিন্ন সিদ্ধান্ত দিতে পারে বলে লেখক উল্লেখ করেছেন, যদিও তা বিধানের নতুন ব্যাখ্যা হবে। বিরোধ যথাযথভাবে উত্থাপিত হলে স্পিকারকে ৩০ দিনের মধ্যে কমিশনে পাঠাতে হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে; আদালতের দণ্ডাদেশ বা কমিশনের সিদ্ধান্ত ছাড়া গাজী নজরুল ইসলাম কার্যত দলনিরপেক্ষ অবস্থায় সংসদ সদস্য থাকতে পারেন।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।