যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও এ বছর মক্কায় হজে অংশ নিয়েছেন ইরানের হাজিরা। তাদের মধ্যে মধ্য ইরানের ইসফাহানের হাসান কাদেরি হজ করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। ইসরাইলি ও মার্কিন বোমা হামলার সময় কাদেরি ও তার পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন, পরে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। তিনি এএফপিকে বলেন, এখানে আজানের ধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন, বিস্ফোরণের শব্দ নয়। কাদেরি ও তার পরিবারসহ অনেক ইরানি হাজি গ্র্যান্ড মসজিদের কাছাকাছি হোটেলে অবস্থান করছেন, যেখানে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা দিচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর তথ্যমতে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে প্রত্যাশিত ৮৬ হাজার ৭০০ হাজির মধ্যে মাত্র ৩০ হাজারের কিছু বেশি হাজি সৌদি আরবে যেতে পেরেছেন। অতীতে হজ ছিল রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনার অন্যতম ইস্যু। ২০১৫ সালের পদদলিত ঘটনায় ৪৬৪ জন ইরানি নিহত হন, যা দুই দেশের সম্পর্কে তীব্র সংকট সৃষ্টি করে। ২০১৬ সালে সম্পর্ক ছিন্ন হলেও ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় তা পুনঃস্থাপন হয়।
এ বছরের শান্তিপূর্ণ হজ অংশগ্রহণ সৌদি-ইরান সম্পর্কের সতর্ক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।