ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান ও এনসিসি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানের একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাংক কোম্পানি আইনে ধারাবাহিক সংশোধনের ফলে বাংলাদেশের ব্যাংক খাত দুর্বল হয়েছে। লেখকের দাবি, এসব পরিবর্তনে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তারা সরে গেছেন এবং রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ও পরিবারকেন্দ্রিক গোষ্ঠী ব্যাংকের পর্ষদ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পেয়েছে; এতে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে ঋণদানের সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নিবন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে খেলাপি ঋণের হার ছিল ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালে ৩৬ শতাংশ বা প্রায় ৬ দশমিক ৫ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ঋণ পুনঃতফসিলের কারণে প্রকৃত হার প্রায় ৫০ শতাংশ হতে পারে বলেও লেখক দাবি করেন। শরিয়াভিত্তিক ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উচ্চ খেলাপি ঋণের হার এবং দুর্বল তদারকির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
উত্তরণের জন্য লেখক আইনি ব্যবস্থায় অভিজ্ঞ পরিচালক ফিরিয়ে আনা, পরিবারতন্ত্র ও মাফিয়াতন্ত্রের অবসান এবং মালিকানার ঘনত্ব কমানোর আহ্বান জানান। তিনি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও শক্তিশালী কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদারকি, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জবাবদিহি, প্রতিযোগিতামূলক বেতন-সুবিধা এবং ব্যাংক খাতে সামগ্রিক সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।