সিঙ্গাপুর থেকে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর শুক্রবার রাজধানীজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার, এপিবিএন ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চারস্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। নগরের প্রধান সড়ক ও মোড়ে বসানো হয় অতিরিক্ত চেকপোস্ট, টহল ও নজরদারি ব্যবস্থা। ড্রোন ও সিসিটিভির মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাতে শোকাহত জনতার সমাবেশ শান্তিপূর্ণ থাকে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কর্মকর্তারা জানান, গোয়েন্দা ও সাদা পোশাকধারী টিম মাঠে সক্রিয় রয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য বা উত্তেজনামূলক প্রচার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ডিএমপি মুখপাত্র বলেন, কোনো নির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সতর্কতা অব্যাহত থাকবে। মরদেহটি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে রাখা হয়েছে, যেখানে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে।
প্রশাসনের মতে, এই নিরাপত্তা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো শোকের আবহে শান্তি বজায় রাখা এবং কোনো গোষ্ঠী যেন পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে তা নিশ্চিত করা। আসন্ন নির্বাচনের সময় পর্যন্ত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।