ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ায় বাংলাদেশেও জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকার পর্যাপ্ত মজুতের আশ্বাস দিলেও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ সারি ও তেলের সংকট অব্যাহত রয়েছে। ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের হামলার পর আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রবণতা দেখা দেয়, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। সরকার রেশনিং ব্যবস্থা চালু করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়।
সরকার প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে এবং তিন লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। তবে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান ও পাম্প মালিকদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। অবৈধ মজুত ও চোরাচালানের অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জরিমানা ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমন্বয়ের অভাব ও দুর্বল তদারকি পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে এবং দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে জ্বালানি মন্ত্রণালয় অবৈধ তেল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে এবং পাম্প মালিক সমিতি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।