যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়ে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। প্রতিবেদনে রিপাবলিকানদের এই পরাজয়কে হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, ইরান যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ, ডেমোক্র্যাটদের সুসংগঠিত প্রচারণা, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমা এবং হিস্পানিক ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থনের পরিবর্তনকে প্রধান কারণ বলা হয়েছে।
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। জরিপে ৭৯ শতাংশ ভোটার বলেছেন, মূল্যস্ফীতিতে তারা ও তাদের পরিবার মাঝারি বা গুরুতর দুর্ভোগে পড়েছেন; ১০ জনে ছয়ের বেশি এ জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন। অন্য এক জরিপে ৬৩ শতাংশ উত্তরদাতা ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে ভুল বলেছেন এবং ৭৪ শতাংশ জানিয়েছেন, কংগ্রেস নির্বাচনে তাদের ভোটে যুদ্ধটি প্রভাব ফেলেছে। নির্বাচনের পর ট্রাম্প যুদ্ধের প্রভাব স্বীকার করলেও ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে বিরত রাখতে পদক্ষেপ জরুরি ছিল বলে দাবি করেন।
ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর বার্তা দেন। টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্তের হিস্পানিক সংখ্যাগরিষ্ঠ তিনটি প্রতিনিধি পরিষদ আসনেই ডেমোক্র্যাটরা জিতেছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে, ২০২৪ সালের তুলনায় হিস্পানিক সংখ্যাগরিষ্ঠ কাউন্টিগুলোতে রিপাবলিকান সিনেট প্রার্থীদের সমর্থন ২২ শতাংশের বেশি কমেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।