বাংলাদেশের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতকে রপ্তানিমুখী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিল্প সংশ্লিষ্টরা। ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি (বাইশিমাস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও নীতিগত সহায়তা এখন জরুরি।
এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) প্রকল্পের পরিচালক মো. আবদুর রহিম খান বলেন, বিশ্ববাজারে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের গুরুত্ব বাড়লেও বাংলাদেশ এখনো পুরো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। তিনি সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়ন ও উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবন ও গবেষণায় সক্রিয় হওয়ার ওপর জোর দেন। বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র বিশেষজ্ঞ হোসনা ফেরদৌস সুমি পণ্যের মান, উৎপাদন দক্ষতা ও খরচ কমানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। বাইশিমাস সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক জানান, খাতটি জিডিপিতে ৩ শতাংশ অবদান রাখছে এবং যথাযথ সহায়তা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১২.৫৬ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি সম্ভব।
বক্তারা প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা সহায়তা, সহজ ঋণ ও নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্পায়ন ও অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।