২৩ এপ্রিল ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ জানায়, যুদ্ধোত্তর বিশৃঙ্খলার মধ্যে গাজা উপত্যকায় প্রতি সপ্তাহে কয়েক ডজন শিশু নিখোঁজ হচ্ছে। ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর দ্য মিসিং অ্যান্ড ফোর্সিবলি ডিসঅ্যাপিয়ারড-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালে ২,৯০০ শিশু নিখোঁজ হয়েছে, যাদের মধ্যে ২,৭০০ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হয় এবং ২০০ জন এখনও নিখোঁজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে ইসরাইলি সামরিক অভিযানে ৭২,৫০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং আরও হাজারো মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
ফেব্রুয়ারিতে আল জাজিরা আরবির অনুসন্ধানে অন্তত ২,৮৪২ ফিলিস্তিনির নিখোঁজ হওয়ার তথ্য উঠে আসে। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রনির্মিত থার্মাল ও থার্মোবারিক অস্ত্রের ব্যবহারকে এর জন্য দায়ী করে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, তারা কেবল বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরাও গাজায় গুমের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদনটি এই ঘটনাকে বৈশ্বিক গুমের প্রবণতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা লাতিন আমেরিকা ও মেক্সিকোতেও আলোচিত হয়েছে। লেখকের মতে, গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ড ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করার প্রচেষ্টারই অংশ।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।