কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র মাধ্যমে ভারত ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দখলের অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়মুখী বিরোধী মিছিল পুলিশ আটকে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ভারতের বিরোধী জোটের প্রায় ৩০০ সংসদ সদস্য পার্লামেন্ট থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে মিছিল করেন। তাদের দাবি ছিল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগের ব্যাখ্যা। পুলিশ কার্যালয়ের কাছাকাছি মিছিলটি আটকে দেয়। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন নেতা সেখানে অবস্থান নেন; পুলিশ তাদের আটক করে কয়েক ঘণ্টা পর ছেড়ে দেয়। পুলিশের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে আটক করা হয়েছিল।
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর। বিরোধীদের অভিযোগ, এতে প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ পড়ছে; নির্বাচন কমিশন তা অস্বীকার করে প্রক্রিয়াটিকে আইনসম্মত বলেছে। সুপ্রিম কোর্টও নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে, বিশেষত ফর্ম-৬ পরিবর্তন নিয়ে। কমিশন বলেছে, মূল আইনগত ফর্ম বদলানো হয়নি; অতিরিক্ত একটি ঘোষণা যুক্ত হয়েছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।