ইসরাইলের নির্বাচনী রাজনীতিতে আরব নাগরিকদের প্রভাব ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, বিশেষ করে সরকার গঠন, জোটের শর্ত নির্ধারণ ও জাতীয় নীতিতে প্রভাবের ক্ষেত্রে। দ্য জেরুজালেম পোস্টে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্বাচনের রাতে রা’আম নেতা মনসুর আব্বাস আগে সরকার গঠন সম্ভব কি না তা যাচাইয়ের ওপর গুরুত্ব দেন; এরপর শর্ত নিয়ে আলোচনার কথা বলেন।
নির্বাচনী ফল নিয়ে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর পূর্বাভাসে পার্থক্য ছিল। তিনটি চ্যানেলের পূর্বাভাসে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিচে ছিল, তবে চ্যানেল ১৪-এর হালনাগাদ পূর্বাভাসে জোটটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখা যায়; এগুলো চূড়ান্ত সরকারি ফল নয়। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনে ৬১ আসন প্রয়োজন, তাই আরব দলগুলোর সমর্থন সরকার টিকিয়ে রাখা বা পতনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
সরকারে অংশগ্রহণের কৌশলে আরব দলগুলোর মতপার্থক্য রয়েছে। রা’আম সরাসরি সরকারে যেতে আগ্রহী, আর জয়েন্ট লিস্ট নেতানিয়াহুবিরোধী নতুন সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থনের আলোচনা প্রস্তাব করেছে। দলটির নেতা ইউসুফ জাবারিন অপরাধ দমনে অর্থায়ন ও নজরদারির পরিকল্পনা দাবি করেছেন। আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের প্রশ্নে ইহুদি রাজনৈতিক নেতারাও বিভক্ত, যা ভবিষ্যৎ সমঝোতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।