যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধের এক সপ্তাহ পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়া এবং ইরানি বাহিনীর ওপর ব্যাপক হামলার পরও সংঘাত দ্রুত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এখন সামরিক সাফল্যকে স্পষ্ট ভূ-রাজনৈতিক জয়ে রূপ দিতে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন, বিশ্লেষকরা দীর্ঘমেয়াদি যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার আশঙ্কা করছেন।
‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে এই অভিযানকে ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর সবচেয়ে বড় সামরিক পদক্ষেপ বলা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্পের লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌবাহিনী ধ্বংস এবং পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন রোধ করা, তবে সমালোচকরা বলছেন যুদ্ধের শেষ কোথায় তা স্পষ্ট নয়। হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে তেলের দাম বাড়ছে, যা ভোটারদের অসন্তোষ বাড়াতে পারে। উপসাগরীয় মিত্র ও মার্কিন কৌশলবিদরাও যুদ্ধের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক ধাক্কা ও আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।