প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে তিনি জানান, ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপ খনন শেষ হয়েছে এবং জাতীয় গ্রিডে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হয়েছে। চলমান সাতটি কূপের কাজ শেষ হলে আরও ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে বলে তিনি বলেন।
দেশীয় গ্যাসের উৎস খুঁজতে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভের পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে দুটি নতুন রিগ কেনার প্রক্রিয়াও চলছে। অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানের অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মহেশখালীর কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আলোচনা চলছে; ২০২৮ সালের ডিসেম্বরে সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহের আশা করা হচ্ছে। আগামী দুই বছরে এলএনজি আমদানি ৬০০ এমএমসিএফডি বাড়ার কথা বলা হয়েছে। সরকার সৌর প্যানেলের উপকরণ ও লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে কর ছাড় দিয়েছে এবং রুফটপ সোলার থেকে গ্রিডে দেওয়া বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট সাড়ে ১০ টাকায় কেনার ঘোষণা দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।