প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে কারিকুলাম, শিক্ষক, মনিটরিং, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি—এই পাঁচ খাতে সমন্বিত অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত; কোনো একটি ক্ষেত্র উপেক্ষা করে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত, শিক্ষার মান বৃদ্ধি, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবন উপযোগী দক্ষতা অর্জনে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।
মাঠপর্যায়ের ৩ হাজারের বেশি অংশীজনের মতামত পর্যালোচনা করে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বাংলা, গণিত ও ইংরেজি দক্ষতা, খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও ব্যবহারিক শিখনে গুরুত্ব থাকবে। সমন্বিত শিক্ষক নীতিমালা, ১১ ধাপের বিদ্যালয় পরিদর্শন পদ্ধতি এবং ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ চলছে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন এবং শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দের লক্ষ্যের কথা জানান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।