জার্মানিতে তীব্র গরমে ৫ হাজার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার বেশিরভাগই ঘটেছে ২০২৬ সালের জুন মাসে। রবার্ট কচ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, দেশটিতে সাপ্তাহিক গড় তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অনেক বেশি ছিল। কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুন পশ্চিম ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ মাস ছিল এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে, স্থলভাগ ও মহাসাগরজুড়ে ক্রমাগত উষ্ণায়নের ফলে এই অস্বাভাবিক তাপপ্রবাহ তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক গড় ভূপৃষ্ঠের বায়ুর তাপমাত্রা ১৬.৫৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ১৯৯১–২০২০ সালের জুন মাসের গড়ের চেয়ে তিন ডিগ্রি বেশি। তাপপ্রবাহের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়ে স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছে।
ফ্রান্স, বেলজিয়াম, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসে ২০–২৮ জুনের মধ্যে অতিরিক্ত ৪,৭০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আইবেরিয়া ও ফ্রান্সে দাবানল ও খরা পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়েছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করেছে, কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্প যুগের তুলনায় প্রায় ১.৪ ডিগ্রি বেড়েছে এবং তা আরও বাড়তে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।