ইসরাইলের চলমান হামলায় ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হওয়ায় গাজায় দাফনের জায়গার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ২৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছরের বেশি সময়ে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। প্রতিষ্ঠিত কবরস্থানে জায়গা না থাকায় পরিবারগুলো বাগান, স্কুল, তাঁবু ও বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে স্বজনদের দাফন করতে বাধ্য হচ্ছে।
২০ বছর বয়সী ওমর আল-সাওহির বাবা মোহাম্মদ ১০ জুন গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় ইসরাইল-নির্ধারিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে চায়ের দোকানে কাজের সময় গুলিতে নিহত হন। জেইতুন কবরস্থানে জায়গা না থাকা এবং দাফনের খরচ বহন করতে না পারায় তাকে দাদার কবরে দাফন করা হয়। যুদ্ধের শুরু থেকে হাসপাতাল ও আশ্রয়কেন্দ্রেও অস্থায়ীভাবে লাশ দাফন করা হয়েছে।
২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির পর ধ্বংসস্তূপ ও অস্থায়ী কবর থেকে লাশ তুলে কবরস্থানে স্থানান্তর শুরু হয়। গাজা কর্তৃপক্ষ সাতটি হাসপাতালভিত্তিক গণকবর থেকে ৫২৯টি লাশ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে। নির্মাণসামগ্রী ও কবরের ফলকের সংকটে দাফন খরচ ৭০০ থেকে এক হাজার শেকেল হয়েছে; ফলে পাথর, কাগজ, কাদা ও ভবনের ধ্বংসাবশেষ দিয়ে কবর চিহ্নিত করা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।