ইরান সংকট সমাধানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করলেও চীন সফর থেকে বড় কোনো সাফল্য ছাড়াই দেশে ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ফেরার পথে তিনি জানান, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার পক্ষে এবং ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করে সে বিষয়েও একমত। তবে এই অবস্থান নতুন নয়। পরে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান চলবে।
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই ইরান বিষয়ে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণের পরিকল্পনা ছিল হোয়াইট হাউসের। কিন্তু প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় এখন ট্রাম্পকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে নতুন সামরিক হামলা চালানো হবে কি না। পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তা কঠোর অবস্থানের পক্ষে, অন্যরা কূটনৈতিক সমাধান চান। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানির দাম বেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের মূল্য গড়ে প্রতি গ্যালন ৪.৫০ ডলার ছাড়িয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্থনৈতিক চাপ ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।