Web Analytics

পুরোনো গ্যাসকূপে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারি খাত বিকল্প জ্বালানির ওপর জোর দিচ্ছে। সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ এবং সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০ শতাংশ বিকল্প উৎস থেকে নিশ্চিত করা। কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের নির্ভরতা কমিয়ে সৌর, বায়ু, গৃহস্থালি বর্জ্য ও পশুর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শ্রেডার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্রিডভুক্ত ও গ্রিডের বাইরের মিলিয়ে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা ১,৮২৫.৮ মেগাওয়াট, যা মোট উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৫.৪ থেকে ৫.৬ শতাংশ। এসব উৎস থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ১,১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানির প্রায় ৮৩ শতাংশ আসে সৌরশক্তি থেকে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ২৩০ মেগাওয়াট এবং খুরুশকুল বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প ৬২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করছে।

২০৩০ সালের লক্ষ্য পূরণে অন্তত ১০ হাজার ৪৫০ মেগাওয়াট পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে। পরিকল্পনায় ৫,৫০০ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার, ৪,৫০০ মেগাওয়াট সোলার পার্ক, গ্রিড আধুনিকায়ন ও ব্যাটারি সংরক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার ৩,৩০০ মেগাওয়াট লক্ষ্যমাত্রার ৩১টি বাতিল নবায়নযোগ্য প্রকল্পও পুনরায় যাচাই করছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।