দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ জেলার কাছে ও লিতানি নদীর উত্তরে অবস্থিত আলি আল-তাহের রিজ ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর নতুন সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। গত ২ মার্চ থেকে সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ার পর কৌশলগত এই উচ্চভূমি ঘিরে উত্তেজনা বেড়েছে। রিজটির উচ্চতা ও অবস্থান এটিকে নাবাতিহ-লিতানি এলাকার চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
আলি আল-তাহের বিউফোর্ট ক্যাসল ও আশপাশের কৌশলগত উচ্চভূমির সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থার অংশ। এই অবস্থানগুলো পরস্পরকে নজরদারি ও গোলাবর্ষণের সক্ষমতা দিতে পারে। ২০০০ সালে দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রত্যাহারের আগে ইসরাইলি বাহিনী ওই এলাকায় অবস্থান করেছিল। পরে হিজবুল্লাহ এটিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর অংশ হিসেবে গড়ে তোলে।
মে মাসে বিউফোর্ট ক্যাসল ও আশপাশের এলাকা দখলের পর ইসরাইল আলি আল-তাহেরসহ কয়েকটি কৌশলগত অবস্থান নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে। ইসরাইলের দাবি, রিজটির নিচে হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টার ও ভূগর্ভস্থ অস্ত্র স্থাপনা রয়েছে। লেবানন সরকার ও হিজবুল্লাহ ইসরাইলি উপস্থিতিকে দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে মনে করে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।