নিবন্ধে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নে দ্রুত হিমবাহ গলা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা ও ধারাবাহিক দুর্যোগে হিমালয় গভীর সংকটে পড়েছে। গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ও পাথর ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত দেড় হাজার মানুষের মৃত্যু এবং পাঁচ হাজার মানুষের নিখোঁজ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিপর্যয়ের জন্য নেপাল জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রধানত দায়ী করেছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল ঘটনাটিকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সরাসরি ফল বলে জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কাছে এ দাবি জানানো হয়েছে। নিবন্ধ অনুযায়ী, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে নেপালের অংশ ০.১ শতাংশের কম। গত তিন দশকে হিমালয় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বরফ হারিয়েছে এবং ২০০০ সালের পর বরফ গলার গতি দ্বিগুণ হয়েছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
নিবন্ধটি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটানের সমন্বিত অববাহিকাভিত্তিক পরিকল্পনার আহ্বান জানিয়েছে। হিমালয় থেকে উৎসারিত নদীগুলোর ওপর প্রায় ২০০ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা ও পানি কমে যাওয়ার ঝুঁকি দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি, জলবিদ্যুৎ, অবকাঠামো ও জনজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।