ড. মোহাম্মদ আবদুল হালিম চৌধুরীর লেখা একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও শ্রেণিকক্ষের বাস্তব উন্নয়নের মধ্যে বড় ফারাক রয়েছে। ২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল প্রকাশিত এই লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে চালু থাকা PTI, B.Ed, M.Ed ও HSTTI কোর্সগুলো কাগজে গুরুত্বপূর্ণ হলেও বাস্তবে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষকরা সনদ পেলেও শ্রেণিকক্ষে তার প্রতিফলন খুব কম দেখা যায়।
নিবন্ধে বলা হয়েছে, সিলেবাস পুরনো ও বাস্তবতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রায়ই আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ, আর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। অনেক শিক্ষক আর্থিক সুবিধার জন্য প্রশিক্ষণ নেন, ফলে শ্রেণিকক্ষে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে না। UNESCO ও World Bank-এর প্রতিবেদনে কার্যকর শিক্ষক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও বাংলাদেশের বাস্তবতায় তা পুরোপুরি প্রতিফলিত নয়।
লেখক পরামর্শ দিয়েছেন, সিলেবাস প্রণয়নে তৃণমূলের মতামত অন্তর্ভুক্ত করা, গবেষণাভিত্তিক প্রশিক্ষণ জোরদার করা, মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কার্যক্রম মনিটরিং করা এবং পারফরম্যান্সভিত্তিক প্রণোদনা চালু করা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।