ইউরোপিয়ান পলিসি সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ফ্যাবিয়ান জুলিগ কানাডার জন্য ‘ইন্টিগ্রেটেড পার্টনারশিপ’ নামে একটি নতুন কাঠামোর প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হয়েও কানাডা সদস্য রাষ্ট্রের মতো গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবে। প্রস্তাবিত সম্পর্ক শুধু বাণিজ্য বা একক বাজারে প্রবেশাধিকারে সীমাবদ্ধ নয়; প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতিও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।
এই কাঠামোর ভিত্তি হবে ভৌগোলিক অবস্থান নয়, বরং অভিন্ন রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ। ইইউ সদস্য হতে অনিচ্ছুক দেশও ইন্টিগ্রেটেড পার্টনার হতে পারবে এবং নির্দিষ্ট নীতিক্ষেত্রে ইইউর সঙ্গে সার্বভৌম ক্ষমতার কিছু অংশ সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করতে পারবে। আইসল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে, কানাডা, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুবিধার পাশাপাশি অংশীদারদের সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ও ব্যয়ও বহন করতে হবে।
আগামী অক্টোবরে ইইউ-কানাডা শীর্ষ সম্মেলনে কানাডার বিশেষ মর্যাদা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ইইউর সঙ্গে একটি ‘ইউনিক অ্যালায়েন্স’ গঠনের আগ্রহ জানিয়েছেন। ইউক্রেন ও পশ্চিম বলকানের দেশগুলোর জন্য এই ব্যবস্থা অন্তর্বর্তী সেতু হতে পারে, তবে তা যেন পূর্ণ সদস্যপদের বিকল্প না হয়—সেই সতর্কতাও রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।