মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি তীব্রভাবে বেড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭০.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালে পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড ১.২৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ডিসেম্বর মাসে আমদানি ৩.৬ শতাংশ বেড়ে ৩৫৭.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যেখানে শিল্প উপকরণ, তামা, অপরিশোধিত তেল এবং কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জামের মতো মূলধনী পণ্যের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রপ্তানি ১.৭ শতাংশ কমে ২৮৭.৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, যদিও সেমিকন্ডাক্টর ও ওষুধজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে।
প্রতিবেদনটি দেখায় যে চতুর্থ প্রান্তিকে বাণিজ্য জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে তেমন অবদান রাখেনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিনিয়োগে সহায়তার জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলো তাইওয়ান থেকে কম্পিউটার চিপ ও প্রযুক্তি পণ্যের আমদানি বাড়িয়েছে। চীনের সঙ্গে পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৩২ শতাংশ কমে ২০২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এলেও, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের সঙ্গে ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জানুয়ারি ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কারখানার কর্মসংস্থান ৮৩,০০০ কমেছে, যা শুল্কের সীমিত প্রভাব নির্দেশ করে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, শক্তিশালী আমদানি ব্যবসায়িক বিনিয়োগের ইঙ্গিত দেয়, বিশেষত এআই-সম্পর্কিত ডেটা সেন্টার নির্মাণে, যা প্রযুক্তি সরঞ্জামের চাহিদা বাড়িয়ে রাখতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।