বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি নিয়ে আপাতত স্বস্তিতে রয়েছে বাংলাদেশ সরকার। টানা ছয় দিন দেশে কোথাও লোডশেডিং হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের নয়টি জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহ সমান ছিল। জ্বালানি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, মে মাসের পুরো সময়ের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে, যা ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৯ টন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে এখন আর দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে না, ফলে যানবাহন মালিক ও পাম্প কর্মচারীরা সন্তুষ্ট।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অসময়ের বৃষ্টিপাতের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১০ মে পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে, যা বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, ডিজেলের মজুত বাড়াতে অতিরিক্ত জাহাজ থেকে তেল খালাস করা হচ্ছে।
এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে জ্বালানি সংকট ও জনঅস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। সরকার দাম সমন্বয় ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নেওয়ার পর পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয় এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।