দক্ষিণ লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনী ইউএনআইএফআইএলের ম্যান্ডেট ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার আগে নতুন সামরিক ও বেসামরিক মিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউর কূটনৈতিক সংস্থা ইইএএস তিন বছরের একটি মিশনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর উদ্দেশ্য লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীকে পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেওয়া, পাশাপাশি সীমান্ত ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সহায়তা করা। ইইউ কর্মকর্তাদের মতে, এটি ইউএনআইএফআইএলকে সরাসরি প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নয়।
প্রতিদিনের কাছাকাছি ইসরাইলি হামলা, লেবাননের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড দখলে থাকা এবং প্রায় ৩ লাখ ৩৫ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুতির প্রেক্ষাপটে বিষয়টি সামনে এসেছে। চলতি সপ্তাহে আয়ারল্যান্ডে ইইউর প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে লেবানন আলোচনায় আসতে পারে। ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাস মে মাসে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তায় ইউরোপীয় মিশন গঠনের প্রস্তুতির কথা বললেও ইউএনআইএফআইএলের পুরো দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে সংশয় জানান।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইউএনআইএফআইএল চলে গেলে সাময়িক নিরাপত্তাশূন্যতার ঝুঁকি গুরুতর হতে পারে। জুনে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ৯০০ থেকে ৩ হাজার সেনার তিনটি বিকল্প দেন; তখন ইউএনআইএফআইএলে প্রায় ৭ হাজার সেনা ছিল। পর্যবেক্ষকদের মতে, সম্ভাব্য নতুন মিশনের সাফল্য বাহিনীর ধরন নয়, বরং উভয় পক্ষের গ্রহণযোগ্য বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর নির্ভর করবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।