Web Analytics

মাহদি নিকসেফাত মোতলাঘ ও কিয়াভাশ কালহোরের একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বড় সামরিক হামলা সংঘাতকে আরও গভীর করতে পারে এবং দেশটিতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পক্ষে থাকা রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন হামলার বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি, তবে অতিরিক্ত চাপ চূড়ান্ত ফল আনতে পারে বা সরকার পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে পারে—এমন প্রত্যাশা আবার সামনে এসেছে।

লেখকদের মতে, দুর্বল প্রতিপক্ষকে নিজেদের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে—যুক্তরাষ্ট্রের এই ধারণায় ভুল হিসাব রয়েছে। ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তারা বলেন, কোনো সরকারকে দুর্বল বা অপসারণ করলেই স্থিতিশীল রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায় না। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক লড়াইয়ে ইরানের বড় ক্ষতি হলেও ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যে রাজনৈতিক ফল চেয়েছিল, তা অর্জিত হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ইরানের কয়েকজন কট্টরপন্থি রাজনীতিক, আইনপ্রণেতা ও বিশ্লেষক পারমাণবিক অস্ত্রের বিরোধিতা থেকে সরে আসা এবং এনপিটি ত্যাগের দাবি তুলেছেন। তবে ইরান সরকার এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। লেখকেরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে যাচাইযোগ্য সীমা, নতুন হামলার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের বাস্তব সুযোগ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।