চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এখনো সক্রিয় রয়েছে, যদিও সরকার সংগঠনটির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা আইনে পরিণত করে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এরপর থেকে ছাত্রলীগ প্রায় নয়টি পৃথক কর্মসূচি পরিচালনা করেছে, যার মধ্যে পোস্টার সাঁটানো, জাতীয় দিবস পালন এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ সম্প্রতি নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং পদপ্রত্যাশীদের জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করেছে। এই ধারাবাহিক তৎপরতায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন এবং বলেছেন, তাদের পারস্পরিক বিভাজনের সুযোগ নিচ্ছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্বীকার করেছে যে ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসিটিভি নেই এবং নিরাপত্তা জোরদারে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।