গত শুক্রবার মন্ত্রিসভা রদবদলে হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব আইনের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক নতুন করে জোরালো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন এবং উপদেষ্টা ও মন্ত্রীর যোগ্যতা ও দায়িত্বে পার্থক্য থাকায় তার নিয়োগকে ঘিরে আইনগত প্রশ্ন উঠেছে।
সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করলে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়া বা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারান। তবে ১৫তম সংশোধনীতে আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য ব্যক্তির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ব্যাখ্যা যুক্ত হওয়ায় দ্বৈত নাগরিকদের অধিকার নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ বিষয়টি বারবার সামনে এসেছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তেও ভিন্নতা দেখা গেছে। কেউ বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন জমার নথিতে মনোনয়ন গ্রহণ করেছেন, আবার কেউ সংশ্লিষ্ট দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না থাকায় তা বাতিল করেছেন। সুশাসন বিশ্লেষকেরা আইন সংশোধন, সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং সব ক্ষেত্রে সমান প্রয়োগের দাবি তুলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।