প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৭ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট ২০২৪ পর্যন্ত ২০ দিনে গুলিতে অন্তত ৫৩৭ জন দৃষ্টিশক্তি হারান। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে ৪৪ জন দুই চোখের এবং ৪৯৩ জন এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন। প্রতিবেদনটি এসব ঘটনার জন্য তৎকালীন সরকারের পুলিশবাহিনীকে দায়ী করেছে।
দুই চোখের দৃষ্টি হারানো ৪৪ জনের মধ্যে ১৩ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন ব্যবসায়ী, চারজন গাড়িচালক, চারজন চাকরিজীবী, দুজন শ্রমিক ও একজন গৃহিণী; ১৫ জনের পেশাগত পরিচয় জানা যায়নি। রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা নীলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্যে বলেন, আন্দোলনের সময় চোখে গুলিবিদ্ধ ৮৬৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি জানান, অনেক আহত ব্যক্তি হয়রানির আশঙ্কায় ভুল নাম ও ফোন নম্বর দিয়েছিলেন।
আহত সাব্বির আহমাদ, দুর্জয় আহমেদ, মিজানুর রহমান ও নিলু পারভিন চিকিৎসা, দৈনন্দিন চলাচল এবং সংসার চালানোর কঠিন পরিস্থিতির কথা বলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি ভাতা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে ঘাটতি রয়েছে। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, চাকরির ব্যবস্থা, যথাযথ মর্যাদা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কামাল আকবর বলেন, অনেক আহত ব্যক্তি এখনো চোখে প্যালেট নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।