১৫৮ বছরের পুরোনো টাটা গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র ক্ষমতার লড়াই চলছে। এক পক্ষ পরিবার পরিচালিত দাতব্য ট্রাস্টগুলো, যাদের হাতে হোল্ডিং কোম্পানি টাটা সন্সের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মালিকানা; অন্য পক্ষ চেয়ারম্যান এন. চন্দ্রশেখরন ও তাঁর ব্যবস্থাপনা দল। ভারতের সরকারও গুরুত্বপূর্ণ পক্ষ হয়ে উঠেছে, কারণ তারা টাটা সন্সকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করার পক্ষে। এতে মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো বদলাতে এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের প্রভাব কমতে পারে।
অন্তত এক বছর ধরে বিরোধ চলছিল এবং আগস্টে তা প্রকাশ্যে আসে। তখন চন্দ্রশেখরন জানান, বোর্ডের একজন সদস্যের আপত্তির কারণে তিনি ফেব্রুয়ারির পর আর পাঁচ বছরের মেয়াদে চেয়ারম্যান থাকতে চান না। তবে ১৭ সেপ্টেম্বর বোর্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তাঁকে পুনর্নিয়োগের পক্ষে ভোট দেন। টাটা ট্রাস্টের প্রধান ও টাটা সন্সের বোর্ড সদস্য নোয়েল টাটা ভোটের বিরোধিতা করে বলেন, তাঁর ভেটো অধিকার উপেক্ষা করা হয়েছে এবং সিদ্ধান্তটি অবৈধ।
নোয়েল টাটার কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট পক্ষ ভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একাধিক আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিরোধ পারিবারিক মালিকানা ও পেশাদার ব্যবস্থাপনার ক্ষমতার সীমা নিয়ে ভারতের বৃহত্তর করপোরেট অঙ্গনেও প্রশ্ন তুলতে পারে। সম্ভাব্য তালিকাভুক্তি মালিকানা, জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্য বদলাতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।