বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এক হাজার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হিমাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও টমেটোর মতো পচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করা যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো উৎপাদন-পরবর্তী অপচয় কমানো এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা। প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় নাকি সরাসরি বাজেট বরাদ্দে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। কৃষি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, এই হিমাগারগুলো জরুরি ভিত্তিতে স্থাপন করা হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুর রহিম নিশ্চিত করেছেন যে, মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চার হাজার পেঁয়াজ সংরক্ষণ মেশিন কেনার প্রস্তুতিও চলছে। বর্তমানে দেশে আলুর বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন হলেও বিদ্যমান হিমাগারের ধারণক্ষমতা প্রায় ৪৫ লাখ টন, ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য নষ্ট হয়।
এর আগে এফএওর সহায়তায় ১৬ জেলায় ৪৫০টি অহিমায়িত মডেল ঘর নির্মাণ করা হলেও তা চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন হিমাগার প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়বে এবং কৃষকদের আয় স্থিতিশীল হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।