বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলদের আরও খোলাখুলি বক্তব্য দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সোমবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি-বিধির ৬৮ বিধিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
কায়সার কামাল বলেন, জনসভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী সমস্যাটি স্বীকার করে বিনয়ের সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী বা ব্যক্তিদের কাছ থেকে একই ধরনের স্বীকারোক্তি পাওয়া যায় না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খাতটির পরিস্থিতি জাতির সামনে স্পষ্টভাবে প্রকাশের আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীর বক্তব্যের ধরনে পার্থক্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মন্ত্রীর কাছ থেকে শোনা যায় লম্বা তারের কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়। পরে তিনি সংসদের আলোচনা সমাপ্ত ঘোষণা করেন। বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমানের নোটিশের ভিত্তিতে আলোচনাটি হয়; নোটিশে জ্বালানি ও গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানার উৎপাদন এবং জাতীয় অর্থনীতির ওপর প্রভাব ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা চাওয়া হয়।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।