বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চূড়ান্ত সময়ে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে অপহরণ করে ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হয়। ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে, যখন ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরে বাঁ ঊরু, বাহু ও কাঁধে রক্ত জমে থাকা ক্ষতের ছবি প্রকাশিত হয়। নাহিদ জানান, দুদিন আগে গভীর রাতে সাদা পোশাকের একদল লোক তাকে এক বন্ধুর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।
তার বর্ণনা অনুযায়ী, রাত আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে ২০–২৫ জন লোক বাড়িতে হানা দেয়, তাকে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নেয় এবং প্রায় ৩০–৩৫ মিনিট পর একটি ঘরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেখানে তাকে লোহার লাঠি দিয়ে পেটানো হয় এবং তিনি প্রায় ২৪ ঘণ্টা অজ্ঞান ছিলেন। ভোরে জ্ঞান ফিরে তিনি নিজেকে পূর্বাচলের একটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন এবং পরে বনশ্রীতে নিজের বাসায় ফিরে হাসপাতালে ভর্তি হন। এদিকে তার বাবা-মা মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের সামনে বসে ছেলের খোঁজ করছিলেন এবং অভিযোগ করেন যে ডিবি তাকে ধরে নিয়ে স্বীকার করছে না।
ঘটনার বিষয়ে কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া বা তদন্তের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।