ভারতের শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অভিযোগ করেছেন, ১৮ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর সঙ্গে বন্দির মতো আচরণ করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত এক ভিডিওতে লাদাখের এই আন্দোলনকর্মী বলেন, হাসপাতালটি তাঁর কাছে সেনানিবাস ও কারাগারের মতো মনে হয়েছিল।
ওয়াংচুকের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁকে একটি আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছিল এবং কক্ষের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। মোবাইল, ল্যাপটপসহ ইলেকট্রনিক গ্যাজেট সঙ্গে রাখতে দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, সবসময় পুলিশ পাহারায় থাকত এবং তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পান কেবল তিনজন স্বজন; অন্য কাউকে কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হতো না।
তিনি আরও বলেন, লাদাখ থেকে আত্মীয়রা দেখা করতে এলে তাঁদের ফেরার বিমানের টিকিট কেটে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালে থাকাকালে কাগজ-কলম না পাওয়ায় তিনি টিস্যুতে গোপনে বার্তা লিখে বাইরে পাঠাতেন বলে দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশের পরও তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়তে দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অপেক্ষা করানো হয়েছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।