বাগেরহাটে গলদা চিংড়ির রেণুর তীব্র সংকটে উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার চাষি চরম বিপাকে পড়েছেন। জেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৫৪ হাজার ৮৪৮টি গলদা চিংড়ির ঘেরে বছরে প্রায় ৫৮ কোটি ৬০ লাখ রেণু প্রয়োজন। অথচ সচল স্থানীয় হ্যাচারিগুলোর উৎপাদনে মোট চাহিদার মাত্র ৪ শতাংশ পূরণ হচ্ছে। ফলে ভরা মৌসুমেও প্রয়োজনীয় পোনা পাচ্ছেন না চাষিরা।
জেলার সরকারি ও বেসরকারি নয়টি হ্যাচারির মধ্যে পাঁচটি চালু এবং চারটি দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় রেণুর জন্য একাধিক আড়তে ঘুরতে হচ্ছে এবং অল্প অল্প করে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। খানপুরের চাষি বোরহান মল্লিক বলেন, একসঙ্গে পোনা না পেয়ে তিনি ১০ থেকে ১৫ হাজার করে রেণু কিনেছেন, এতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে।
এপ্রিল থেকে জুন গলদা রেণু ছাড়ার উপযুক্ত সময় হলেও মৌসুমের শেষ দিকে এসেও অনেকে প্রয়োজনীয় পোনা সংগ্রহ করতে পারেননি। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস জানান, বন্ধ হ্যাচারিগুলো চালু থাকলে চাহিদার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পূরণ সম্ভব হতো। মালিকদের লাইসেন্স নবায়ন করে কার্যক্রম শুরুর জন্য চিঠি দেওয়ার পরও সাড়া না পাওয়ায় লাইসেন্স বাতিলের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।