আসন্ন আত্মজীবনী ‘বিলংগিং’ উপলক্ষে দেওয়া বিরল সাক্ষাৎকারে সোনিয়া গান্ধী ইন্দিরা গান্ধীর ১৯৮৪ সালের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করা, স্বামী রাজীব গান্ধীকে হারানোর আশঙ্কা এবং ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যুর কথা তুলে ধরেছেন। ৭৯ বছর বয়সী সাবেক কংগ্রেস সভাপতি বলেন, দিল্লির বাসভবনে দুই শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে ইন্দিরা নিহত হওয়ার পর থেকেই তাঁর মনে হতো, রাজীব পরবর্তী হত্যার শিকার হতে পারেন। নির্বাচনি প্রচারের সময় এলটিটিইর আত্মঘাতী হামলায় রাজীব নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইন্দিরার মৃত্যুর পর রাজীবের রাজনীতিতে আসার বিরোধিতা করেছিলেন সোনিয়া। কঠোর নিরাপত্তায় পরিবারটির জীবন বদলে যায় এবং রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার স্বাভাবিক চলাফেরা সীমিত হয়। রাজীবের মৃত্যুর পরও তিনি ইতালিতে ফেরেননি। ১৯৯৮ সালে দলের নেতাদের অনুরোধে কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে ২০০৪ সালে কংগ্রেস জিতলেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন এবং ২০১৭ সাল পর্যন্ত দলের সভাপতি ছিলেন।
সাক্ষাৎকারে সোনিয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করা এবং বিরোধীদের কণ্ঠ সীমিত করার অভিযোগ করেন। রাজীব হত্যা তদন্তের একটি কমিশন মোদি সরকার বন্ধ করেছে বলেও তিনি দাবি করেন। পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া পাণ্ডুলিপি প্রকাশ না করার কারণ নিয়ে তাঁর বক্তব্য অস্বীকার করেছে; বইটি অন্য প্রকাশনা সংস্থা থেকে বের হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।