চাঁদপুর শহরের এস কে শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী পিন্টু দাস আর্থিক সংকটের মধ্যে পরিবারসহ আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্বজন ও ক্ষতিগ্রস্তরা। গত মঙ্গলবার থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী রিমি দাস, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বড় ছেলে প্রিয়ম দাস এবং ছোট ছেলে রুপম দাস।
নিকটাত্মীয় উপমা দে বলেন, চাঁদপুরে ভাড়া বাসায় থাকা পিন্টু দাস ঋণে জর্জরিত ছিলেন। গ্রাহকদের বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত দেওয়ার চাপ ছিল তার ওপর। তিনি আরও দাবি করেন, গ্রাহকদের পক্ষে পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি স্বর্ণালংকার ফেরত দিতে তাকে হুমকি দেন। ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজনের অভিযোগ, স্বর্ণ বন্ধক রেখে অর্থ দেওয়ার ব্যবসা করলেও পরে তিনি স্বর্ণ ফেরত দিতে পারেননি।
গ্রাহকদের ভাষ্য, দোকান কয়েকবার স্থানান্তরের পর তিনি মদিনা মার্কেটের নিচতলায় ব্যবসা করতেন। বাজারের মালিক মফিজ উদ্দিন সরকার জানান, প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে তিনি দোকান ভাড়া নেন এবং কয়েক মাসের ভাড়া বকেয়া রয়েছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, চারজন নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পেয়ে পুলিশ তদন্ত করে তাদের উদ্ধারে পদক্ষেপ নেবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।