২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ভয়াবহ পাহাড়ধসে ১৮ জনের মৃত্যু ও শতাধিক আহত হওয়ার নয় বছর পরও প্রায় ৫০০ পরিবার এখনো পাহাড়ের পাদদেশ ও ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। টানা বর্ষণে সৃষ্ট ওই দুর্যোগে চন্দ্রঘোনা, ওয়াগ্গা, রাইখালী ও চিৎমরম ইউনিয়নের বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ধ্বংস হয়েছিল।
কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ওয়াগ্গা ও রাইখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখনো বহু মানুষ ঝুঁকিতে রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ জানান, অতিবৃষ্টির সময় এসব মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে গেলেও তাদের স্থায়ী পুনর্বাসন সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের তথ্যভান্ডার তৈরি করা হচ্ছে এবং নিরাপদ স্থানে ঘর নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হবে।
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন স্মরণ করেন, ২০১৭ সালের দুর্ঘটনায় তিনি উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন এবং এখনো ঢাকাইয়া কলোনির বাসিন্দাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।