বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ভারতের প্রস্তাবিত কাউন্টারভেলিং ডিউটির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, ভারতের কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করা যেতে পারে। ভারতের কাস্টমস ট্যারিফ আইন, ১৯৭৫-এর ৯সি(১) ও ৯সি(২) ধারায় ৯০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রয়েছে। ভারতের বাণিজ্য প্রতিকারবিষয়ক অধিদপ্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর বিষয়টি বাণিজ্য সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ভারতের তদন্তে বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আমদানি করা পাটের সুতা ও টুইন, স্যাকিং ব্যাগ ও কাপড় এবং হেসিয়ান ব্যাগ ও কাপড় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তদন্তের সময়কাল ছিল ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের মার্চ। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বাংলাদেশি রপ্তানিকারকেরা নগদ রপ্তানি প্রণোদনা এবং পাটশিল্পের জন্য ১০ শতাংশ বিশেষ আয়কর হারের সুবিধা পেয়েছে। তবে কয়েকটি অন্য অভিযোগে সুবিধা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে ডিজিটিআর জানিয়েছে।
চূড়ান্ত ফলাফলে পাঁচটি বাংলাদেশি পাটপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি টনপ্রতি ১০১.৫৪ থেকে ১৪০.০৪ ডলার শুল্কের সুপারিশ করা হয়েছে। বিদ্যমান অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক বহাল থাকবে, যদিও রপ্তানি ভর্তুকি অংশে দ্বৈত শুল্কের প্রভাব সীমিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। দ্বৈত প্রতিকার ও নমুনা নির্বাচনসহ বাংলাদেশের আপত্তিগুলো ভারতীয় কর্তৃপক্ষ খারিজ করেছে। পরবর্তী পদক্ষেপ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।