ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশের ভেতরে ছোট সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং তাদের সঙ্গে সংঘর্ষের খবর বারবার জানিয়েছে। স্থল সীমান্তেও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষের কথা তারা প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর আগে এবং যুদ্ধ চলাকালে এমন খবর বেশি এসেছে। রোববার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে ‘বিপ্লববিরোধী’ ও রাজতন্ত্রপন্থি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত আট সদস্যের একটি নেটওয়ার্ককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফার্সের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানুয়ারির দেশব্যাপী বিক্ষোভে মলোটভ ককটেল ব্যবহার ও টায়ার পোড়ানোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে নতুন বিক্ষোভের আশঙ্কায় ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্ব উদ্বেগ জানিয়েছে। জানুয়ারির বিক্ষোভ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মানুষ রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিলেও বর্তমানে ইরানের ভেতরে বড় কোনো সংগঠিত রাজতন্ত্রপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় নেই।
ইরানের সবচেয়ে বড় অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র হুমকি হিসেবে পশ্চিম সীমান্তে সক্রিয় কুর্দি যোদ্ধাদের উল্লেখ করা হয়েছে। অস্থির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী বালুচ যোদ্ধারাও সক্রিয়। মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো অ্যালেক্স ভাতাংকা বলেন, কুর্দি ও বালুচ বিদ্রোহীদের বাইরের সহায়তা বাড়লে ইরানের নিরাপত্তা সংকট আরও তীব্র হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।