Web Analytics

প্রযুক্তির অপব্যবহারে মানব পাচারের কৌশল বদলেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপ, ভুয়া ওয়েবসাইট, অনলাইন চাকরির বিজ্ঞাপন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পাচারকারীরা মানুষের আস্থা অর্জন করছে। উচ্চ বেতনের চাকরি, উন্নত জীবন, প্রেম বা বিয়ের প্রলোভনে বিদেশে নিয়ে গিয়ে অনেককে সাইবার প্রতারণা, অনলাইন স্ক্যাম, নির্যাতন ও আধুনিক দাসত্বে বাধ্য করা হচ্ছে। বাংলাদেশও এই ঝুঁকির বাইরে নয়।

বিদেশে চাকরির প্রলোভন প্রযুক্তিনির্ভর পাচারের সবচেয়ে প্রচলিত কৌশল হিসেবে উঠে এসেছে। ব্র্যাকের এক গবেষণায় বিদেশে চাকরির আশায় যাওয়া ব্যক্তিদের ৯৮ শতাংশ প্রতিশ্রুত কাজ পাননি এবং ৯০ শতাংশকে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার তথ্য পাওয়া গেছে। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও মেসেঞ্জারে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে চাকরি, ব্যবসা বা স্থায়ী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রেম ও বিয়ের ফাঁদেও বিশেষ করে নারীদের যৌন শোষণ ও জোরপূর্বক শ্রমের ঝুঁকিতে ফেলা হচ্ছে।

বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৫ হাজার ৯২১ জন কম্বোডিয়ায় গেছেন। জুনে কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফেরেন ৫৮৩ বাংলাদেশি; অনেকে পাসপোর্ট জব্দ ও অনলাইন জালিয়াতিতে বাধ্য হওয়ার কথা জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও এজেন্সির বৈধতা যাচাই, ব্যক্তিগত তথ্য না দেওয়া, সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলা এবং দুই স্তরের নিরাপত্তা চালুর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Card image

Related Memes

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।